06/05/2022
মনোবল অটুট থাকলে বিনা যুদ্ধে জয়লাভ করা যাবে : গয়েশ্বর
admin admin

আস্থা ও মনোবল অটুল থাকলে বিনা যুদ্ধে সরকারের বিরুদ্ধে জয় লাভ করা যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। 

তিনি বলেছেন, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না বলে দেশের গণতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল-শক্তিগুলো অঙ্গীকার করেছে। এই অঙ্গীকারের প্রতি দেশ ও জনগণের কথা মাথায় রেখে আস্থা, বিশ্বাস এবং মনোবল ঠিক রাখা গেলে সরকারের বিরুদ্ধে বিনা যুদ্ধে আমরা জয়লাভ করতে পারব।

শনিবার (৪ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে শ্রমিক দলের উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত জিয়াউর রহমানের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশ্যে গয়েশ্বর বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সকালেও সৈনিকরা জানত না একটু পরে পাকিস্তান আত্মসমর্পণ করতে যাচ্ছে। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরাও জানত না এরশাদকে পদত্যাগ করতে হবে। আজকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নিচের দিকের নেতাকর্মীদের যে আস্ফালন তা দেখে মনে হচ্ছে তারাও জানেন না তাদের নেত্রী কখন পদত্যাগ করবেন।  

তিনি আরো বলেন, যত টাকা ধার করে উন্নয়নের নামে যার সিংগভাগ পাচার করা হয়েছে, সেই ধারের টাকার সুদ দিতে হবে দুই বছর পরে। সুদের টাকা এই সরকারের পক্ষে পরিশোধ করা সম্ভব হবে না। এ কারণে জিনিসপত্রের দাম কমানো যাবে না, মানুষের হাহাকার এবং অভাব-অটন দেখা দিয়েছে এটা তীব্র থেকে তীব্র হবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের ওপর আঘাতের পর আঘাত করা, পুলিশ দিয়ে দমন করাও সম্ভব হবে না। এই সরকারের পক্ষে দেশ পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

গয়েশ্বর বলেন, আমাদের এই অঙ্গীকারের সঙ্গে অন্যান্য জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল যারা এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাব না অঙ্গীকার করেছে, সবাই যদি বাড়িতে ঘুমিয়েও থাকি তারপরও শেখ হাসিনা সরকারে থাকতে পারবে না। কারণ তার পক্ষে আরেকটি নির্বাচন করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের মতো জ্বালাও-পোড়াও, হরতাল অবরোধ না-ই করলাম, কিছুই দরকার নেই। এই সরকারের অধীনে শুধুমাত্র গণতন্ত্রমনা মানুষ অংশগ্রহণ না করলে হেলিকপ্টারে করে দেশত্যাগে বাধ্য করা হবে শেখ হাসিনাকে। তাই সবাইকে ভোটাধিকারের আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, হুমায়ুন কবির খান প্রমুখ।





LEAVE A COMMENT

সোশাল মিডিয়া