স্বপ্ন থেকেই শুরু হচ্ছে “এ.বি.এম. ফজলে করিম চৌধুরী ফাউন্ডেশন” এর যাত্রা-অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে এই উদ্যোগ

103

স্বপ্ন থেকেই শুরু হচ্ছে “এ.বি.এম. ফজলে করিম চৌধুরী ফাউন্ডেশন” এর যাত্রা। যা আমার জীবনের একটি অন্যতম উদ্যোগ। যার মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন অসহায় মানুষদের পাশে এমনভাবে দাঁড়াতে চাই, যাতে করে সে পরবর্তীতে অন্যকে সাহায্য করার স্বপ্ন দেখতে পারে।

পত্রপত্রিকায় মাঝেমধ্যে দেখতে পাই, ৫০ লক্ষ টাকা খরচ করে ১ লক্ষ মানুষের একবেলা খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। এই একবেলা খাবার দিয়ে কি একটি গরীব পরিবারের দুঃখমোচন করা কি সম্ভব? না। এর পরিবর্তে আমাদের উচিত ৫০ লক্ষ টাকা দিয়ে দেশের ৫০ টি স্থানে ৫০ টি ‘not for profit’ খাবারঘর বানানো । যাদের কোন চাকরীর খুব প্রয়োজন এমন মহিলাদের এসব খাবারঘরে রান্নাবান্না করার চাকরী দেওয়া যায়। খাবারঘরের জন্য যে শাকসবজি বা মাছ-মাংস প্রয়োজন, তা যদি কৃষক-জেলে কিংবা এসব পণ্য উৎপাদনকারীর নিকট থেকে সংগ্রহ করা যায় তবে তাদেরও উপকারে আসবে। কারণ, কৃষক বা পণ্য উৎপাদনকারীরা সিন্ডিকেট ও মধ্যস্থকারীর কারণে তাদের ন্যায্যমূল্য পায় না। আমরা যদি সরাসরি তাদের কাছ থেকে পণ্য কিনি, তবে তাদেরও লাভ হবে এবং আমরা বাজারমূল্যের চেয়ে কম দিয়ে কিনতে পারবো। এই খাবারঘরে যদি কোন ধরনের লাভ করা না হয়, শুধু মাত্র ‘ব্রেক ইভেন’ যদি লক্ষ্য থাকে, তাহলে খুব সহজেই বিভিন্ন জায়গায় আমরা এই খাবারঘর তৈরী করতে পারবো।এই খাবার ঘর থেকে অন্যান্য দোকানের তুলনায় স্বল্প দামে খাবার সরবরাহ যাবে এবং আমাদের দেশের হাজারো গরীব মানুষ একটু ভালোভাবে খেতে পারবে। যেমন- অন্যান্য দোকানে যদি এক প্লেট খাবারের দাম ১০০ টাকা হয়, তবে এই খাবারঘর থেকে তা ৬০ টাকা দিয়ে যে কেউ কিনে খেতে পারবে। এটি শুধু একটি উধারন।

মূলত, স্থায়ীভাবে মানুষের উপকার করা আমাদের উদ্দেশ্য। একজন মানুষকে একটি শাড়ী কিংবা লুঙ্গি না দিয়ে তাকে যদি একটি সেলাই মেশিন কিনে দেওয়া হয় তবে এটা থেকে সে অর্থ উপার্জন করে সাবলম্বী হতে পারে।

ইনশাআল্লাহ, আগামী ১৭ মে ২০১৯, শুক্রবার, গহিরার গ্রামের বাড়ীতে জুমার নামাজ আদায় করবো। সেদিন দুপুর ১ টা ৩০ মিনিট হতে দুপুর ৩ টা পর্যন্ত আমাদের বাড়ীতে “সোশ্যাল সার্ভিসেস ইউনিয়ন অব রাউজান” এর সাথে সম্পৃক্ত রাউজানের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করবো। এবং যারা “এ.বি.এম. ফজলে করিম চৌধুরী ফাউন্ডেশন” এর সাথে সম্পৃক্ত হতে চান, তাদেরকে সেদিন জুমার নামাজ আমাদের বাড়ীর মসজিদে আদায় করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী, বিশেষ করে রাউজানের সম্মানিত সি.আই.পি বৃন্দ থেকে শুরু করে সকলকে আমি আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। যদি আসা সম্ভব না হয় তবে আপনাদের প্রতিনিধি প্রেরণ করতে পারেন । হতে পারে আপনি রাউজানের নয়, অথবা চট্টগ্রামের নয়, তবে সার্বিকভাবে এই ফাউন্ডেশন এর সাথে কাজ করতে চান, তারা ফেসবুক কমেন্টের মাধ্যমে জানানোর আহ্বান জানাচ্ছি । আপনাদের নাম-ঠিকানা নেওয়া হবে, ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে আপনাদের সাথে যোগাযোগ করা হবে, কিভাবে আপনারা এই ফাউন্ডেশন এর সাথে কাজ করবেন সে ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা করা হবে। সকলের প্রচেষ্টায় এই ফাউন্ডেশন এর কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালিত হবে বলে আমি প্রত্যাশা করি। উল্লেখ্য, ফাউন্ডেশন এর সকল কার্যক্রম সরাসরি আমার তত্ত্বাবধানে থাকবে এবং আমার ছোট ভাই ফারহান করিম চৌধুরীও পরবর্তীতে এই ফাউন্ডেশনে যুক্ত হবেন এবং এটার কার্যক্রম শুধু আমাদের এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, এটাই আমার স্বপ্ন।

রাউজান নিউজ/অামির হামজা.বার্তা বিভাগ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here