রাউজানে পাহাড়তলি পিংক সিটি-২ তে দেশি গরুঃ হাটের পরিবেশ নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই খুশি

311

আমির হামজা.(রাউজান নিউজ)🔴 রাউজানে পাহাড়তলি পিংক সিটি-২ তে দেশি গরুঃ ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই খুশি। রাউজানে জমে উঠেছে কোরবানির সব গুলো পশুর হাট। উপজেলার ৯নং পাহাড়তলী ইউনিয়নের অবস্থিত পিংক সিটি-২ তে চলছে জমজমাট কেনাবেচা। রাউজানে অনেক গুলো হাট থাকলেও কিন্তু পিংক সিটি-২ এর অস্থায়ী হাটি একটু অব্যতিক্রমী এই বাজারে দিন রাত ২৪ ঘন্টা চলছে বেচাকেনা।

তবে এই বাজারে ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে কিনেতে পেরে ক্রেতারা যেমন খুশি, তেমনি আশানুরূপ দাম পেয়ে বিক্রেতারাও খুশি।

পিংক সিটিতে গরু কিনতে আসা অনেকে বলেন, ৬০ হাজার টাকায় একটি দেশি ষাঁড় কিনেছি। ক্রয়ক্ষতার মধ্যে পছন্দের গরুটা কিনতে পেরেছি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার আমার যেটুকু সামর্থ্য ছিল তা দিয়েই খুব সহজে এই হাট থেকে আমরা গুরু কিনতে পেরেছি। এই বাজারে কোনো সমস্যা নেই, নানা রকম সুবিধা পাচ্ছেন সবাই। এক কথায় ফ্রিতে হাট থেকে সমান্য হাসিল দিয়ে গরু কিনতে পেরে আমরা খুশি।

সরজমিনে শুক্রবার গরু হাটে গিয়ে দেখা যায়, সকালের দিকে ক্রেতা কিছুটা কম উপস্থিতি মনে হলেও বিকেলের দিকে উপস্থিতি বাড়তেই থাকে। সন্ধ্যার পর ব্যাপক ক্রেতা সমাগম হয় এই হাটে। যদিও গরুর হাটে ধাক্কাধাক্কি ভিড়টি এখনো লক্ষ্য করা যায়নি। শনিবার ও রবিবার বিক্রিতে সবচেয়ে বেশি ভিড় হবে বলেও বিক্রেতারা মনে করছেন।

একাধিক বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে গরুর বাজার মোটামুটি ভালো। তবে ক্রেতারা বলেছেন উচ্চমূল্যের কথা। বিক্রেতারা বেশি দাম চাচ্ছেন এবং গরু ছাড়তে চাইছেনা তারা। তবে একাধিক বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমান বাজারে গরু খাদ্যর সবকিছুই এতো বেশি যে কারণে গরুর মূল্যও বেশি। এছাড়াও রয়েছে পরিবহন খরচ, লেবার খরচ। যে কারণে গরুর দাম খুব একটা কম হবে না বলেও জানান বিক্রেতারা।

শুক্রবার কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা গেছে, হাটগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ক্রেতা-বিক্রেতার দর কষাকষি চলছে। অনেকেই শেষ মুহূর্তে কিছুটা কম দামের অপেক্ষায় আছেন। বিক্রেতাদের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। কেউ বাজারে এনে সময়ে মধ্যে বিক্রি করে দিচ্ছেন। আবার কেউ আরও কিছুটা সময় নিয়ে বসে আছেন। পিংক সিটিতে একের পর এক গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন মানুষ। মিনি ট্রাক করে আছে ছোট-বড় গরু। বের হওয়ার পথে অবস্থান করে দেখা গেল মাঝারি আকারের গরুই বেশি বিক্রি হচ্ছে।

এবিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন বলেন,
ক্রেতারা সাধ ও সাধ্যের মধ্যে গরু কিনতে পেরে যেমন সন্তুষ্ট, তেমনি বিক্রেতারাও লাভের মুখ দেখছেন বলে জেনেছি। তা ছাড়াও হাটে যেকোনো ধরনের নাশকতা এড়াতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব সময় পুলিশ হাটে টহলে আছেন।

রাউজান নিউজ.আমির হামজা.বার্তা বিভাগ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here