যেকোন সময় বিদায়ের মঞ্চ প্রস্তুত মাশরাফির জন্য!

21
যেকোন সময় বিদায়ের মঞ্চ প্রস্তুত মাশরাফির জন্য!
যেকোন সময় বিদায়ের মঞ্চ প্রস্তুত মাশরাফির জন্য!

রাউজান নিউজ ডেস্কঃ 

“যেকোন সময় বিদায়ের মঞ্চ প্রস্তুত মাশরাফির জন্য!

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা শেষ হওয়ার পর বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন লন্ডনে বসেই বলেছিলেন আমরা মাশরাফিকে দেশের মাটিতে নিজের আপন মানুষদের সামনে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানাতে চাই এবং তার বিদায়কে স্মরণীয় করে রাখতে সম্ভাব্য যা কিছু প্রয়োজন তা করা হবে।

তবে দেশের মাটিতে ঠিক কবে, কখন, কার সাথে মাশরাফি শেষ ম্যাচ খেলবেন বা খেলতে পারেন তা জানায়নি বোর্ড সভাপতি। সেটা বরাবরই মাশরাফির ইচ্ছের ওপর ছেড়ে দেয়া আছে। মাশরাফি যখন ইচ্ছে প্রকাশ করবেন তখনই সে কাজটা সম্পন্ন করতে চায় বোর্ড।

যদিও মাশরাফি এখন পর্যন্ত সেই ইচ্ছের কথা প্রকাশ্যে বা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাননি। এমনকি সবশেষ হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়ার মাত্র কয়েক ঘন্টা আগে এক প্রেস কনফারেন্সেও বলেননি কবে অবসর নেবেন। বরং অমন প্রশ্নে খানিক উষ্মাই প্রকাশ করেছিলেন। মোদ্দা কথা তার বিদায়ের মঞ্চ প্রায় প্রস্তুত ।

এখন মাশরাফি যখন খুশি উঠবেন। কিন্তু সেই সময়টা নিয়েই নানা প্রশ্ন আর কিছু বিভ্রান্তি। বিসিবি তাকে বীরোচিত বিদায়ী সংবর্ধনা দিতে চাইলেও, মাশরাফি এখনো মুখ ফুটে বলেননি আমি অমুক দিন আনুষ্ঠানিক অবসরের ঘোষণা দেব বা ঐ দলের বিপক্ষে খেলেই বোলিং বুট খুলে রাখবো।

তবে মাশরাফির ঐ ঘনিষ্ঠ সূত্র আরও একটি তথ্যও দিয়েছে। তা হলো এখন যখন জিম্বাবুয়ে আসছেই তখন হয়ত মাশরাফিও চিন্তা ভাবনা করবেন। কারণ এরপর দীর্ঘদিন দেশের মাটিতে কোন ওয়ানডে নেই। এ বছর আর ঘরের মাঠে কোন ওয়ানডে খেলার সূচি নেই বাংলাদেশের। আফগানিস্তানের সঙ্গে এক মাত্র টেস্ট আর জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তানের অংশগ্রহণে তিন জাতি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলবে টাইগাররা। এরপর মাশরাফি ইচ্ছা পোষণ করলে জিম্বাবুয়ের সাথেই আাগামী মাসের শেষ দিকে বিদায়ী ওয়ানডে সিরিজ হবে। না হয় প্রায় এক বছর অপেক্ষায় থাকতে হবে দেশের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজের জন্য।

কারণ নভেম্বরে ভারত সফর। সেখানে দুটি টেস্ট আর তিন টি-টোয়েন্টি। জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারিতে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুই ম্যাচ খেলতে অস্ট্রেলিয়ার আসার কথা আছে। আর পাকিস্তানের সাথে জানুয়ারিতে যে সিরিজ হবার কথা সেটাও এখনো অনিশ্চিত। কারণ পাকিস্তানে গিয়ে খেলার প্রশ্নই আসে না টাইগারদের। খেলা হলেও হবে দুবাইতে।

তারপর ওয়ানডে আছে শুধু ২০২০ সালের মে মাসে আয়ারল্যান্ড সফরে। সেখানে একটি টেস্ট আর তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি আছে। তার আগে আর কোন ওয়ানডে নেই দেশের মাটিতে।

তাই বারবার বলা হচ্ছে, মাশরাফি চাইলে হয়ত জিম্বাবুয়ের সঙ্গেই নিজের শেষ ওয়ানডে সিরিজ খেলে ফেলতে পারেন।না হয় অন্তত ৭-৮ মাস বা তারও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে। মাশরাফি চাইলে তাতেও আপত্তি নেই বোর্ডের। এখন মাশরাফি কী চান তার জন্যই অপেক্ষা।

রাউজান নিউজ.আমির হামজা.বার্ত‍া বিভাগ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here