দুই’শ ছুঁতে চলেছে রাউজনে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা

272

দুই’শ ছুঁতে চলেছে রাউজনে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা

মীর আসলাম (রাউজান নিউজ) ঃ

রাউজান উপজেলায় দ্রুত বিস্তার ঘটছে করোনার সংক্রমন। ২৮ জুন পর্যন্ত এই উপজেলায় সংক্রামিত হয়েছে ১৯৬জন নারী পুরুষ। ইতিমধ্যে এই উপজেলার বসিন্দাদের মধ্যে সংক্রামণ জনিত কারণ ও করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে অন্তত ৩০ জন। এলাকার লোকজন বলেছেন এখন প্রতিদিন সকালে মাইকে মৃত্যু সংবাদ শুনে অনেকের ঘুম ভাঙ্গছে। স্থানীয়দের মতে বেশির ভাগ লোক মারা যাচ্ছে করোনার উপসর্গ নিয়ে।

এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, করোনা মহামারির এই দুর্যোগে যারা মৃত্যুবরণ করছে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন কাপনে এগিয়ে আসে না তাদের স্বজনরা। এমন পরিস্থিতিতে এগিয়ে এসেছে গাউছিয়া কমিটি ও আশার আলো নামে দুটি পৃথক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। দুটি সংগঠন অসম্প্রদায়িক চেতনায় মৃত ব্যক্তিদের গোসল দেয়াসহ দাফন কাপন করছেন। মুসলিমদের সৎকারে কাজ করছেন। মহিলাদের বেলায় একাজে যোগ দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দুটির মহিলা সদস্যরা।
গোসল শেষে কাপন পরিয়ে লাশ দাফনে সক্রিয় সংগঠন আশার আলোর প্রধান সমন্বয়ক পৌরসভর প্যানেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ বলেছেন এই দুর্যোগে মানবিক এই কাজে স্বেচ্ছাসেবীদের উৎসাহ জাগিয়েছেন মানবতাবাদি তরুন রাজনীতিক ফারাজ করিম চৌধুরী। তর পৃষ্ঠপোষকতায় গত প্রায় এক মাসে ১৮ জন মৃত ব্যক্তিকে আশার আলোর স্বেচ্ছাসেবীরা দাফন ও সৎকার করেছেন। আশার আলোর স্বেচ্ছাসেবীদের সুরক্ষা পোষাক সরবরাহ করছেন ফারাজ করিমের সংগঠন সেন্ট্রাল বয়েজ। জানা যায় আশা আলোর স্বেচ্ছাসেবীরা এই পর্যন্ত রাউজানে ১৭টি মৃত ব্যক্তির দাফন কাপন করেছে।

অপর দিকে রাউজানসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলায় গিয়ে মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন ও সৎকার করার কাজে নিয়োজিত আছেন গাউছিয়া কমিটি রাউজান ইউনিট এর সদস্যরা। সংগঠনের উত্তর জেলার সংগঠক আলহাজ্ব আহসান হাবিব চৌধুরী বলেছেন রাউজানে মৃত ব্যক্তিদের লাশ দাফন কাপনের ব্যপারে রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমোদন নেয়া হয়। তার অনুমোদন সাপেক্ষে গাউছিয়া কমিটির সদস্যরা লাশ দাফন ও সৎকার করছে। তার ভাষ্যানুসারে গাউছিয়া কমিটি রাউজান ইউনিট এর স্বেচ্ছসেবীরা রাউজানসহ বিভিন্ন উপজেলায় গিয়ে এই পর্যন্ত ১৬ জনের লাশ দাফন ও সৎকার করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here