এসডিজি বাস্তবায়নে ফজলে করিম এমপি’র মত স্বপ্নবাজ রাজনীতিকদের মন্ত্রীসভায় দেখতে চাই।

157
মীর আসলাম(রাউজাননিউজ) :

‘মানুষ ঘুমিয়ে যা দেখে তা স্বপ্ন নয়। স্বপ্ন হলো সেটাই, যা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না। এটি ভারতে সাবেক রাষ্ট্রপতি বিশিষ্ট পরমানু বিজ্ঞানী ড. এপিজে আবদুল কালামের বিখ্যাত উক্তি ও দর্শন। এই বিজ্ঞানী শুরু থেকে বিশ্বাস করতেন, ‘স্বপ্ন ও স্বপ্নবাজরা সবসময় এগিয়ে যেতে পারেন। পৌঁছতে পারেন স্বীয় লক্ষ্যে। বিশ্ব খ্যাত এই দাশনিক নিজেও এই বিশ্বাসের উপর ভর করে পৌঁছতে পেরেছিলেন নিজের লক্ষ্যস্থলে। অন্যদেরকেও তিনি স্বপ্ন দেখতে ও স্বপ্নের পেছনে তাড়া করতে উদ্বুদ্ধ করে আসছেন।
ড. এপিজে আবদুল কালামের সেই দর্শনে বিশ্বাসী আমাদের আজকের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনিও একজন স্বপ্নবাজ নারী। তিনি আমাদের দেশটিকে স্বপ্নের বাংলাদেশ রূপদানে কাজ করে আসছেন। ইতিমধ্যে তিনি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা(এমডিজি) অর্জন করে বাংলাদেশের সাফল্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উজ্জ্বল করেছেন। উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা রক্ষায় এখন জাতিসংঘ ঘোষিত ২০৩০ এজেণ্ডা তথা টেকসই উন্নয়ন নিয়ে অভীষ্ট(এসডিজি) লক্ষ্যে যেতে দৃঢ সংকল্পবদ্ধ রয়েছেন। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিনি এসডিজির ১৭টি অভীষ্টের আওতায় ১৬৯টি লক্ষ্য স্থির করেছেন।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই স্বপ্ন সফল বাস্তবায়ন করতে হলে সারা দেশে সৎ,নির্ভক,কর্মচঞ্চল,মেধাবী স্বপ্নবাজ রাজনীতিক দরকার। যাদের নীতি আদর্শে থাকবে ড. এপিজে আবদুল কালামের সেই দর্শন। দেশের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাওয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নপূরণের কাজে তার অনুসারীদের থাকা চাই দৃঢ অঙ্গীকার। এক্ষেত্রে থাকা চাই মেধা, সততা ও কর্মতৎপর। এই গুনাবলির রাজনীতিকদের নিয়ে গঠিত মন্ত্রীসভার সদস্যরাই শুধু পারে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের সফল বাস্তবায়ন।

আমার ক্ষুদ্র পরিসরের পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশের সংসদীয় আসন সমূহ থেকে যেসব বিজ্ঞ রাজনীতিক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন,তাদের মধ্যে অন্যতম একজন মেধাবী,কর্মতৎপর,স্বপ্নবাজ সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। যিনি তার মেধা ও রাজনৈতিক বিচ্ছক্ষনতায় ৭৫ সাল থেকে আওয়ামীলীগের হাত ছাড়া হয়ে থাকা রাউজানের সংসদীয় আসনটি পুনরুদ্ধার করেছেন। এই আসন থেকে চার বারের নির্বাচিত স্বপ্নবাজ এই সাংসদ সবসময় ড. এপিজে আবদুল কালামের স্বপ্নবাজ মানুষের দর্শনটি মনেপ্রাণে ধারণ করেন। এই প্রেরণা নিয়ে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সব স্বপ্ন পূরণ করতে রাতদিন মেধা ও শ্রম দিয়ে আসছেন। তার নিরলস প্রচেষ্টায় নিজ উপজেলাকে প্রধানমন্ত্রীর মনের স্বপ্নের রঙে ইতিমধ্যে রাঙিয়ে তোলতে পেরেছেন। তার বহুমুখি চিন্তার প্রতিফলন ঘটিয়ে শিক্ষা,স্বাস্থ্য, আবাসন, কৃষিসহ সর্বক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছেন। এই উপজেলাকে ইতিমধ্যে পরিণত করেছেন এক খণ্ড সোনার বাংলায়। যে উপজেলা এখন সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তির জন্য একটি মডেল। ক্লিন,গ্রীন পিংক রাউজান হিসাবে খ্যাত। উন্নয়নের রূপকার হিসাবে সর্বমহলে পরিচিত এই সাংসদ যেদিকে যান সেদিকে তীক্ষè দৃষ্টি রেখে খুঁজেন দৃষ্টিকটু, অসুন্দর,অকার্যকর ও জনদুর্ভোগের কারণ সমূহ। এসব দেখে গিয়ে নিঁখুত পরিকল্পনায় নিজের সাধ্যের মধ্যে থাকা সম্পদ ব্যবহার করে অসুন্দর সবকিছু উপড়ে ফেলে জনদুর্ভোগ লাঘব করেন। তিনি রেলপথ মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে রেলের সদর দপ্তর চট্টগ্রাম সিআরবি এলাকাকে মাদক, ছিনতাইকারী আস্তানা ভেঙ্গে দেন। ওই এলাকার নোংড়া পরিবেশে ঝোপঝাড় পরিষ্কার করার মাধ্যমে এই এলাকাটিকে পর্যটকদের জন্য নান্দিক রূপে সাজিয়ে দেন। রেলওয়েকে আধুনিকায়ন ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে তিনি কাজ করে আসছেন নিরলস ভাবে। এরআগে গৃহায়ন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে ঐ প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক করতে ভূমিকা রাখেন। রাউজানে গড়ে তোলেন দুটি পিংক সিটি।
বহুমুখি প্রতিভার অধিকারী রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর মেধা ও কর্ম দেশের সুধিমহলে প্রশংসিত। সকলেই চান আধুনিক বাংলাদেশে স্বপ্নদ্রষ্ট্রা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার মন্ত্রী সভায় এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর মত দেশপ্রেমিক চৌকস মেধাবী রাজনীতিক খুবই দরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশের সচেতন মহল প্রত্যাশা করেন আগামীতে কর্মবীর ফজলে করিম চৌধুরীর যোগ্যতা মূল্যায়ন করা হবে। দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা হবে এই কর্মবীরকে মন্ত্রীত্বে আসনে বসিয়ে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here