রাউজান নিউজ
ফজলে করিম চৌধুরী এমপি

উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে রাউজান

নিরুপম দাশগুপ্ত. লেখক : সাংবাদিক:

উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে রাউজান

‘আশাবাদী সৃষ্টিশীল মানুষেরাই বেঁচে থাকে বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ। যে মানুষের মনে আশা থাকে না, সে মৃত। যে মানুষের চোখে স্বপ্ন নেই, সে কঙ্কালসার। বেঁচে থেকেও সে প্রাণহীন।’ এসব কথা জনগণের সামনে প্রতিনিয়ত শুনিয়ে যিনি প্রায় ৭ লাখ মানুষকে সঞ্জীবনী শক্তি যুগিয়ে যাচ্ছেন, তিনি হলেন চট্টগ্রামের রাউজানের সংসদ সদস্য জননেতা এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী। কথা নয়,কাজে বিশ্বাসী এই লোকটি যতক্ষণ নিদ্রাহীন অবস্থায় থাকেন, ততক্ষণ সাধারণ মানুষের কল্যাণের কথাই ভাবেন। তাঁর মতে, ক্ষণস্থায়ী জীবনে মানুষের উপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখার চেয়ে মহৎ আর কোনো কাজ নেই। এতেই মনের আনন্দ আর সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভ সম্ভব’।

সংবাদকর্মী হিসেবে প্রতিদিনই আমাদের খবরের পেছনে ছুটে বেড়াতে হয়। পত্রিকার পাতায় চোখ বুলালেই আমরা দেখি নেতিবাচক সব খবরাখবর। তাই আশা জাগানিয়া খবর পেলেই দেশপ্রেম নামক ভরসার জায়গাটা একটু প্রশস্ত করি। দেশের কিছু মানুষের কিংবা হাজারো নেতার ভিড়ে হাতেগোনা কিছু কর্ম উদ্যোগী মানুষের ব্যতিক্রমী মানবপ্রেমী উদ্যোগ–পরিকল্পনার বাস্তবায়ন বা সফল আয়োজন দেখলে মনটা আনন্দে ভরে যায়।

এখানে একটি কথা বলা দরকার– আমাদের দেশে অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের একক প্রচেষ্টাতে বেশির ভাগ সুন্দর সুন্দর কাজ বর্তমান সময়ে হচ্ছে। যদিও একটা সময় ছিল যখন রাজনীতিতে সক্রিয়রা দেশের ভালো কাজে অগ্রণী ভূমিকা রাখতো। এখন তেমনটা পরিলক্ষিত হয় না। অনেকের মতে, রাজনীতি এখন ব্যবসা। সে অর্থে ব্যতিক্রমী কোনো রাজনৈতিক নেতার আবির্ভাব ঘটলে অতীতের রাজনৈতিক নেতাদের মানবদরদী কর্মকাণ্ডের চিত্র চোখের কিনারে উঁকি মারে।

সংবাদকর্মী হিসেবে বলি কিংবা রাউজানের একজন বাসিন্দা যা–ই বলি– আমার কাছে রাউজানের এমপি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী হচ্ছেন বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের একজন সত্যিকারের জনদরদী রাজনীতিবিদ। রাউজানের বাসিন্দা নয়, এমন লোকও আজ এই কথাটি এক বাক্যে স্বীকার করবেন। সমালোচনার পিঠে সমালোচনা করা সহজ। তবে কাজের মানুষ পাওয়া অন্তত: এ যুগে কঠিন। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতা হলে তো কথাই নেই।

রাউজান ছিল এক সময়ের সন্ত্রাসের জনপদ। আর এখন শান্তি ও সৌহার্দ্যের লীলাভূমি। সমস্যা ও সম্ভাবনার চিত্র আঁকতে বললে ২৪৩ বর্গ কিলোমিটারের রাউজানে পাওয়া যাবে উন্নয়ন আর ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার একটি বিশাল ছাতা। যার ছায়াতলে অনাগত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের সমৃদ্ধি অর্জনের ঠিকানার সন্ধান পাবে। কারণ ওই যে শুরুতেই স্বপ্নের কথা বলেছিলাম–এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী রাউজানের আনাচে কানাচে স্বপ্নের বীজ রোপন করা শুরু করেছিলেন আজ থেকে প্রায় দুই যুগ আগে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগদানের পর থেকেই তার স্বপ্ন যাত্রা শুরু। সেই স্বপ্নরা আজ একেকটি মহীরুহ হয়ে এখন ডালপালা মেলে স্বগৌরবে বলছে–আমরা আধুনিক রাউজানে মানব কল্যাণে নিয়োজিত। আপনারা দেখে যান আমাদের রাউজান।

যাদের রাউজানে আসা–যাওয়া নেই তাদের কাছে এসব কথা আপেক্ষিক মনে হওয়া স্বাভাবিক। তবে কী নেই সাম্প্রতিককালের রাউজানে বা কী করেননি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী তা–ও সকলের জানা আবশ্যক বলে আমি মনে করি। যা চলমান অস্থির, লোভাতুর ও দুর্বৃত্তায়নের রাজনৈতিক কালচারে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে সন্দেহ নেই।

নতুন নতুন কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ এবং তা সুনিপুণভাবে বাস্তবায়নে ফজলে করিম চৌধুরীর জুড়ি মেলা ভার। নতুন কিছু করে সকলে চমকে দেওয়াই তাঁর অন্যতম কাজ। যা এক সময় সকলের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়ায়। এখন তিনি রাউজানের প্রতিটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নিজস্ব অফিস বানানোর দিকে মনোনিবেশ দিয়েছেন। ইতোমধ্যে থানার ১৪টি ইউনিয়নের ৯টিতে অফিস ভবন নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে। অন্য ৫টি ইউনিয়নে অফিস ভবনের নির্মাণ কাজ পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে। এছাড়া পৌরসভা এলাকায় ৩টি নিজস্ব অফিস ভবন রয়েছে। দুই থেকে তিন হাজার বর্গফুট আয়তনের এসব অফিস ভবন সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে করা হচ্ছে। দেশের কোথাও ইউনিয়ন পর্যায়ে কোনো রাজনৈতিক দলের এ ধরনের নিজস্ব অফিস ভবন রাউজানেই প্রথম।

নিজস্ব অর্থে রাউজানে গত বছরের ২৪ জুলাই এক ঘণ্টায় ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ফলদ গাছের চারা রোপণ করে এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী জাতীয় পর্যায়ে ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সমাদৃত হন। যা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদে রূপ নেয়। এছাড়া একই বছরের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে ১ হাজার ৮৪ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করে তিনি বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। একজন প্রকৃতি ও মানবপ্রেমী হিসেবে তার এসব কর্মকাণ্ড ১৯৯৬ সালে রাজনীতিতে যোগদানের পর থেকে অব্যাহত রয়েছে।

শরীর সুস্থ থাকলেই মন ভালো থাকে। এই দর্শনকে সামনে রেখে তিনি রাউজানের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ভিটামিনযুক্ত ফলমূলের চাহিদা সহজলভ্য করতে যেমন ফলদ বৃক্ষ রোপণে উৎসাহ যুগিয়েছেন, তেমনি আমিষসমৃদ্ধ খাদ্যের চাহিদা নিশ্চিত করতে তিনি প্রতিবছর রাউজানের মানুষের মাঝে বিনামূল্যে মাছের পোনা বিতরণ করেন। পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র ‘হালদা নদী’তে প্রতিবছর বড় মা মাছ ছাড়ার ব্যবস্থা করেন। একই সাথে এই ফলদায়ক নদীটির স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিতকরণ ও সংরক্ষণ,অবৈধ মাছ শিকারীদের আইনের আওতায় আনা এবং নদীর দু’পাড়ের জেলে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়ন ও দুই তীরের ভাঙন রোধে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন।

রাউজানে ৭’শ টি মসজিদ, ২২১টি হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও ১১৯টি বৌদ্ধ বিহার রয়েছে। প্রতিবছর তিনি স্ব স্ব ধর্মাবম্বলীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বস্ত্র বিতরণ, নগদ অর্থ প্রদান, ভোগ্যপণ্য প্রদান, ধর্মীয় শোভাযাত্রা,সুস্বাদু খাবারের আয়োজন ইত্যাদি করে থাকেন।

অগ্নিযুগের মহান বিপ্লবী মাস্টার’দা সূর্য সেন ও মহাকবি নবীন সেনের জন্মস্থান রাউজান। মাস্টার’দার বেহাত হয়ে যাওয়া ভূ–সম্পত্তি উদ্ধার ও স্মৃতি কমপ্লেক্স স্থাপন, সরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠা, আবক্ষ মূর্তি স্থাপন, মাস্টার’দার নামে বিশেষায়িত স্কুল প্রতিষ্ঠা, মাস্টার’দার নামে স্মৃতি তোরণ নির্মাণ ও সড়কের নামাকরণ, পাঠাগার স্থাপন ও কবি নবীন সেনের নামে স্কুল স্থাপন, কবি নবীন সেন অডিটোরিয়াম স্থাপনসহ রাউজানে জন্মগ্রহণকারী বিভিন্ন জ্ঞানতাপসদের যথাযথ সম্মান প্রতিষ্ঠায় অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন ফজলে করিম চৌধুরী।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিই হচ্ছে ফজলে করিম চৌধুরী’র কাজের প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষা ক্ষেত্রে তিনি অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন। রাউজানে বর্তমানে ১টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ৪টি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ৯টি কলেজ, ৫৬টি মাধ্যমিক স্কুল, সরকারি–বেসরকারি ২৩টি মাদ্রাসা ও ১৮২টি প্রাথমিক স্কুল রয়েছে। তথ্য প্রযুক্তিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ আইসিটি ভবন। তিনি ঝরে পড়া কোমলমতি শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানমুখীতা নিশ্চিতকল্পে ১৮২টি প্রাথমিক স্কুলের ২০ হাজার শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিদিন তার নিজস্ব উদ্যোগে স্কুল ফিডিং (টিফিন) বিতরণের ব্যবস্থা করেছেন।

ফজলে করিম চৌধুরী শিক্ষাকে তার কাজের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিয়েছেন। রাউজান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, রাউজান নোয়াপাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, গহিরা ডিগ্রী কলেজ ও রাউজানস্থ ইমাম গাজ্জালি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার সার্বিক পরিবেশ দেখলে এর প্রমাণ মিলে। তিনি এই চারটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। তার দায়িত্ব পালনের পর থেকে এসব কলেজ থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে সরকারি–বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনেকে উচ্চ পদে আসীন আছেন।

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে রাউজান দেশের অন্যান্য থানার তুলনায় অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে। রাউজানে শিল্পকলা একাডেমী, শিশু একাডেমী, সুপরিসর মিলনায়তনসহ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য বহুমুখী ব্যবস্থা রয়েছে। নাটক, গান, চিত্রাঙ্কন, নৃত্য শিক্ষা আবৃত্তিসহ শিল্পচর্চার নান্দনিক কার্যক্রম রাউজানে প্রতিনিয়ত চলমান আছে।

রাউজানকে বর্তমানে বলা হয় পিঙ্ক, গ্রীণ, ক্লীন রাউজান। রাউজানের সড়ক পথের দুই ধারের সবুজ বৃক্ষরাজি, দোকানপাট, ঘর–বাড়ি, অফিস–আদালত এক কথায় সর্বত্র গোলাপী রঙের প্রলেপ দেওয়া। রাউজান একটি পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন থানা। রাউজানে সবুজ বৃক্ষরাজি মানুষজনের মন কাড়ে। রাউজান একটি পরিবেশবান্ধব ও স্বাস্থ্যকর থানা। রাউজানে ২৬ মেগাওয়াটের একটি নিজস্ব বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। এ কারণে রাউজানে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত রয়েছে। বাসস্থান সমস্যা নিরসনকল্পে রাউজানে দুইটি পিঙ্ক সিটি গড়ে তোলা হয়েছে। এর একটির অবস্থান উত্তর রাউজানে, অপরটি দক্ষিণ রাউজানে।

রাউজানে কর্মসংস্থানের জন্য শিল্পনগর ও শিক্ষিত বেকারদের জন্য কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। চিকিৎসা সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাউজানে যে কয়টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র রয়েছে সেসব সেবা কেন্দ্র ফজলে করিম চৌধুরী সরাসরি নজরদারি করেন। রাউজানে ৫০ ও ৩১ শয্যা বিশিষ্ট ২টি হাসপাতাল, ৪৪টি কমিউনিটি ক্লিনিক, ৮টি হেল্‌থ ক্লিনিক রয়েছে। রাউজানে একটি ট্রমা সেন্টারের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। এজন্য ইতোমধ্যে সরকারি অর্থ বরাদ্দ ও জমি অধিগ্রহণ কাজ শেষ হয়েছে।

এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী রাউজানের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। ২০১৬ সালে শীতের দিনে শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে তিনি ৬০ হাজার কম্বল এবং দুঃসহ গরম থেকে মুক্তির জন্য প্রায় ৫ হাজার সিলিং ফ্যান বিতরণ করেন। এলাকাবাসীকে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ থেকে বাঁচানোর জন্য ১ লক্ষ ৬০ হাজার মশারি দেন। বর্তমানে রাউজান শতভাগ ম্যালেরিয়ামুক্ত থানা। বৃষ্টির দিনে দুস্থদের মধ্যে ছাতা ও থালা–বাসন, অসহায় নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন, শারীরিক প্রতিবন্ধিদের হুইল চেয়ার, কৃষকদের মাঝে ফি বছর উন্নত জাতের বীজ বিতরণসহ ইত্যাদি কল্যাণমুখী কাজ তিনি নিরলসভাবে করে যাচ্ছেন।

সন্ধ্যা নামলেই রাতের রাউজান হয় আলোকোজ্জ্বল রাউজান। উপজেলা রোড, ভিলেজ রোড,কানেক্টিং রোড থেকে শুরু করে প্রতিটি সড়কে লাগনো স্ট্রিট লাইটে আলোতিক হয়ে উঠে পুরো রাউজান। সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও অপরাধমুক্ত রাউজান বর্তমানে বাংলাদেশে একটি অনন্য থানা হিসেবে পরিগণিত।

বাংলাদেশে একমাত্র তিনিই সর্ব প্রথম মায়ানমারের সামরিক বাহিনীর নির্মম–নিষ্ঠুর নির্যাতনে কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে ছুটে যান। গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর তিনি তিন’শ মেট্রিক টন ভোগ্যপণ্য বিতরণ করে আর্তমানবতার সেবায় তাঁর মমত্ববোধের পরিচয় দেন। এই স্বাপ্নিক রাজনীতিকের সর্বশেষ কর্মসূচি ছিল ‘পায়ে হেঁটে রাউজান দেখা’। গত ১৬ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পাঁচদিন ২৪৩ বর্গ কিলোমিটারের রাউজান তিনি পরিভ্রমণ করেন। প্রচণ্ড বৃষ্টি বাদল উপেক্ষা করে টানা এই পথ পরিক্রমাকালে তিনি পথিমধ্যে সমাবেশ এবং এলাকার মানুষের সুখ–দুঃখের কথা শুনেছেন। চলার পথে যেখানে রাত হয়েছে, সেখানেই তিনি রাত্রিযাপন করেছেন।

প্রসঙ্গত: ভারতের সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি সম্প্রতি মাস্টার’দা সূর্য সেনের বসতভিটা ও স্মৃতি কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এসে রাউজানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রত্যক্ষ করে এ বি এম ফজলে করিমের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন। যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাতকালেও তিনি তুলে ধরেন বলে জানতে পারি। সবচেয়ে বড় কথা হলো–এক সময়ে সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য হিসেবে কুখ্যাতি অর্জন করা রাউজানে বর্তমানে শান্তি ও ধর্মীয় সৌভ্রাতৃত্ব বিরাজ করছে বিধায় বিশ্বের অন্যতম গণতান্ত্রিক দেশের রাষ্ট্র প্রধান সানন্দে রাউজান সফরে আসেন।

জানা গেছে, এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী এখন একটি বিশেষ কাজে হাত দিয়েছেন। আর তা হলো একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও চেতনাকে মনে প্রাণে লালন করে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ও মিশন বাস্তবায়নে ফজলে করিম চৌধুরী নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। আশা করা যায়– রাউজানে তাঁর প্রচেষ্টায় একটি মেডিকেল কলেজও আমরা অদূর ভবিষ্যতে দেখতে পাবো। দেশপ্রেমিক এই কর্মবীরের পথচলা অব্যাহত থাকুক–এই কামনা রইলো।

রাউজান নিউজ.আমির হামজা.বার্তা বিভাগ

Mir Islam

Add comment

Follow us

Don't be shy, get in touch. We love meeting interesting people and making new friends.

নামাজের সময়সূচী

    চট্রগ্রাম
    Tuesday, 3rd August, 2021
    SalatTime
    Fajr4:06 AM
    Sunrise5:29 AM
    Zuhr12:05 PM
    Asr3:29 PM
    Magrib6:41 PM
    Isha8:03 PM

এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি এর উদ্যোগ সমগ্র রাউজানে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ফলজ চারা রোপন কর্মসূচী

ভয়াবহ আগুন থেকে রক্ষা পেল রাউজানে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে

Most popular

Social Media